শীর্ষ সংবাদ
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ, মধ্যপ্রাচ্য সংকটে আরও বাড়ার শঙ্কা|ট্রাম্পের আহ্বান উপেক্ষা করে ইরানে পাল্টা হামলা চালাল ইসরায়েল|ভুটানে শক্তিশালী ভূমিকম্প, ঢাকাসহ বাংলাদেশজুড়ে মৃদু কম্পন|বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল — ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন সাবেক এই ওপেনার|রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড|স্বস্তিদায়ক বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বাবলম্বী করতে চায় সরকার: চিফ হুইপ|জাতীয় পুরস্কারজয়ী মালায়ালম অভিনেতা সেলিম কুমারের মৃত্যু|নিরুত্তাপ পরিবেশে শুরু বিসিবি নির্বাচন, চলছে ভোটগ্রহণ|ঋণের ভারে চাপে অর্থনীতি, সুদ পরিশোধেই যাবে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা|আলোচিত রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, বেলা ১১টায় ঘোষণা|জব্দ ২ হাজার ৪০০ কোটি ডলার ছাড় না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নয়: ইরান|আইনশৃঙ্খলায় কঠোর অবস্থানের বার্তা, বাজেট ঘিরে ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর|সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জমিয়তের|রাডার স্টেশনে হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের|ঢাকাবাসীর জন্য স্বস্তির খবর: কমতে পারে ভ্যাপসা গরম, আট বিভাগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস|এবার বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর ঝুঁকি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী|ইসরায়েল–লেবানন যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি, ইরান চুক্তির আশা জোরালো|পুঁজিবাজারে টানা আট কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী, লেনদেন ৯ মাসের সর্বোচ্চ|যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার|হাইকমান্ডের নির্দেশনা অমান্য করে তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক, চাপে বিএনপি|তিন মাসে খেলাপি ঋণ বাড়ল ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা, হার ছাড়াল ৩২ শতাংশ|বিশ্বকাপের আগে মেসির রুম নম্বর ঘিরে নতুন উন্মাদনা, কী সেই কারণ|লেবাননের ৯০০ বছরের পুরোনো বিউফোর্ট দুর্গ কী, কেন দখল করল ইসরায়েল|সীমান্তে ‘পুশ ইন’ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ চায় ইসলামী আন্দোলন|জাতিসংঘে ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরলেন খলিলুর রহমান|চট্টগ্রামে কোস্ট গার্ডের ঝটিকা অভিযান, ১৪০০ লিটার চোরাই জ্বালানি তেল জব্দ|দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়|ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভায় এমডি ওমর ফারুকের পদত্যাগ গৃহীত, ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে আলতাব হুসাইন|লেবাননে হামলা বন্ধে ইসরায়েলকে আহ্বান ট্রাম্পের, সংঘর্ষবিরতির ইঙ্গিত|আদালতে এসে ফুটফুটে রামিসার জন্য ন্যায়বিচার চাইলেন বাবা
রাজনীতি

দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়

Sub Editor

২ জুন ২০২৬, ০৭:১৪
দাপুটে রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদ: শেষ জীবনে দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা এক অধ্যায়

ষাটের দশকের উত্তাল ছাত্ররাজনীতির ভেতর দিয়ে উঠে আসা তোফায়েল আহমেদ ছিলেন উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান নেতা। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই রাজনীতিক স্বাধীন বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতৃত্বে ছিলেন। তবে জীবনের শেষভাগে এসে দলীয় রাজনীতিতে তিনি অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েন।


বেশ কয়েক বছর জনসমক্ষে কম দেখা যেত তাঁকে। অবশেষে সোমবার (১ জুন) ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।


বাংলাদেশের রাজনীতিতে তোফায়েল আহমেদ একটি পরিচিত ও প্রভাবশালী নাম। ছাত্রজীবনে তিনি ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক হিসেবে নেতৃত্ব দেন এবং জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেন। একই বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করার ঘোষণা দেন তিনি।


১৯৭০ সালের নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তোফায়েল আহমেদ। মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব বাহিনীর অন্যতম নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় রাজনৈতিক সচিব হিসেবে নিয়োগ দেন।


১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে তাকেও গ্রেপ্তার করা হয়। প্রায় ৩৩ মাস কারাবন্দি থাকার পর মুক্ত হয়ে তিনি দল পুনর্গঠন এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগ্রামে তিনি সামনের সারির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।


১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান তোফায়েল আহমেদ। পরে ২০১৪ সালেও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে ২০০৮ সালের পর গঠিত প্রথম আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনি স্থান পাননি। ২০১৮ সালের পরও তাঁকে মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা হয়।


রাজনৈতিক জীবনের শেষদিকে তাঁর প্রভাব কমে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, দলীয় রাজনীতিতে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ায় তিনি মানসিকভাবে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আশির দশকের শেষদিকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের দূরত্ব তৈরি হয়। এর পেছনে বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ব্যাখ্যা থাকলেও দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই শীতল সম্পর্ক তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানে প্রভাব ফেলেছিল।


এ ছাড়া এক-এগারোর সময় দলের ভেতরে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিতি পাওয়াও তাঁর জন্য পরবর্তী সময়ে চ্যালেঞ্জ তৈরি করে। ওই সময় দলের ভেতরে সংস্কারের প্রস্তাব দেওয়ায় তিনি এবং আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতা সমালোচনার মুখে পড়েন। পরবর্তীতে এই পরিচয় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে আরও দুর্বল করে তোলে বলে মনে করেন অনেকেই।


দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য থেকে সর্বশেষ উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও নীতিনির্ধারণে তাঁর ভূমিকা ছিল সীমিত। তবু জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন তিনি।


দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া তোফায়েল আহমেদের শেষ অধ্যায় তাই হয়ে আছে এক ধরনের নিভৃত ও কোণঠাসা বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি।

বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি

বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের অবস্থান কর্মসূচি

জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবঘোষিত কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে ত্যাগী ও দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন পদবঞ্চিত নেতারা। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে...

আইনশৃঙ্খলায় কঠোর অবস্থানের বার্তা, বাজেট ঘিরে ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আইনশৃঙ্খলায় কঠোর অবস্থানের বার্তা, বাজেট ঘিরে ধৈর্য ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, শিগগিরই সারা দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরীণ...

সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জমিয়তের

সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদারের আহ্বান জমিয়তের

ভারতের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ। দলটি বলেছে, এ ধরনের পুশইনের ঘটনা...

এবার বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর ঝুঁকি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

এবার বাড়তে পারে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর ঝুঁকি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে চলতি মৌসুমে হেমোরেজিক ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এবার ডেঙ্গুর ভয়াবহ রূপ দেখা দিতে...

Bangla Star

সর্বশেষ সংবাদ ও বিনোদন

বিভাগসমূহ

জাতীয়রাজনীতিখেলাবিনোদনজীবনযাপনপ্রযুক্তিঅর্থনীতিসারাদেশঅপরাধআন্তর্জাতিক