10:26 AM বিল্লাল হত্যাকাণ্ড: যুবদল নেতা বাবু বহিষ্কার, রমনা থানা কমিটি বিলুপ্ত

রাজধানীর মৌচাকে সালিশের ভিড়ে ছুরিকাঘাতে হত্যার শিকার হওয়া জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের রমনা থানার সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন তালুকদারের (৫৭) হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রমনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে রমনা থানা যুবদলের পুরো কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের যাচাইকৃত ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সভাপতি (দপ্তরের দায়িত্বে) নুরুল ইসলাম সোহেল স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও রমনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবুকে দল থেকে বহিষ্কার এবং রমনা থানা যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন।
যেভাবে ঘটে নির্মম এই হত্যাকাণ্ড
নিহত বিল্লালের ভাগ্নে মো. মোবারক হোসেন আকাশ জানান, সোমবার সন্ধ্যায় মৌচাকের আনারকলি মার্কেটের সামনে কয়েকজন যুবক তাঁকে মারধর করে। এই খবর পেয়ে মামা বিল্লাল হোসেন তালুকদার ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সেখানে পৌঁছানোর পর রমনা থানা যুবদলের আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু ও সেক্রেটারি লুৎফরের সঙ্গে বিল্লালের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে বাবুর নির্দেশে তার অনুসারী মিরাজ বিল্লালের বুকে ছুরিকাঘাত করে। ছুরির আঘাতে বিল্লাল তাৎক্ষণিকভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে রাত নয়টা বিশ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। রাজধানীর বুকে সালিশ করতে গিয়ে এভাবে প্রাণ হারানো বিল্লাল হোসেন তালুকদারের এই মর্মান্তিক পরিণতি দলীয় অঙ্গনে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।





