বিজয়-সংগীতার বিচ্ছেদ গুঞ্জনে নতুন মোড়, নজর আজকের শুনানিতে

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম-এর দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিনের গুঞ্জনে নতুন মোড় এসেছে। বিচ্ছেদের জল্পনার মধ্যেই তাদের সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
১৯৯৯ সালের আগস্টে ভালোবেসে বিয়ে করেন বিজয় ও সংগীতা। লন্ডনপ্রবাসী শ্রীলঙ্কান তামিল পরিবারের সদস্য সংগীতা বরাবরই প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেছেন। তাদের সংসারে দুই সন্তান রয়েছেন— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা।
দীর্ঘদিন ধরে এই দম্পতির বিচ্ছেদের গুঞ্জন শোনা গেলেও সাম্প্রতিক সময়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের খবর সামনে এসেছে। ফলে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
সোমবার নির্ধারিত আদালতের শুনানিকে ঘিরে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এদিনের কার্যক্রমের পর পরিষ্কার হতে পারে তারা বিবাহবিচ্ছেদের পথে এগোবেন, নাকি পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সম্পর্ক বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেবেন।
বিভিন্ন সূত্রের দাবি, দুজনের মধ্যে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা চলছে এবং আলোচনার পরিবেশ আগের তুলনায় ইতিবাচক হয়েছে। বিরোধের বিষয়গুলো নিয়ে সংঘাতের বদলে এখন সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
২০২৪ সালে অভিনয় থেকে সরে এসে রাজনীতিতে সক্রিয় হন বিজয়। তিনি তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং পরবর্তীতে নির্বাচনে জয়ী হয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এর আগে বিজয় ও সংগীতার বিচ্ছেদ নিয়ে নানা গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এমনকি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান-এর সঙ্গে বিজয়ের সম্পর্ক নিয়েও বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এসব বিষয়ে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেননি।
এদিকে, পারিবারিকভাবে সমঝোতার চেষ্টা চলছে বলেও জানা গেছে। বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে সম্পর্কের জটিলতা নিরসনের চেষ্টা করছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এ দাবিরও স্বাধীন কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।
এখন পর্যন্ত বিজয় কিংবা সংগীতার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। ফলে এ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটাতে সবার নজর আজকের আদালত শুনানির দিকে।





